এলোমেলো আলাপচারিতা – ২

আমার সাথে আমার কথোপকথন।

আমার কখন মনে হয় আমার গার্লফ্রেন্ড দরকার?

-এটা সত্যিই একটা যুগোপযোগী প্রশ্ন।

না, আমি কখনই বলব না, আমার অবস্থা এখন খুবই খারাপ, কারণ ওতে কিছু হবে না, কারণ ওতে সত্যিই কিছু হবে না, ওতে আমি সত্যিই পায়েশ খেতে পারব না…

-আমি এখন দুটা মোম জ্বালিয়ে রেখেছি। কিন্তু এটা সত্যিই আজব কাস্টম, মানে মোমের শিখার নিচে য়খন মোম থক থক করে, মানে থিক থিক করে, আবার থক থক করে, তখন মোমটা কেমন যেন  চিক চিক করে…

কিন্তু একটা জিনিশ কি, আমার গা’টা এখন ঘামে লিক লিক করছে; কিন্তু ‘খেতে’ বানানটা ‘খ’ দিয়ে লিখতে হলেও, ‘ক্ষিধে’ লেখতে হবে ‘ক্ষ’ দিয়ে, ডিকশনারিতে দেখলাম কালকে…

-হুম্, ডিকশনারিতে তো আরো লিখেছে নারী মানে woman নাকি an female human, সেটা তাহলে কি?

অবস্যই strange custom, কারণ woman-এর বদলে তো ‘yo-man!’-ও বলা যেত; কিন্তু তাতে, মানে-

-Yo-yo’র কথা বলছো?

হ্যাঁ হ্যাঁ, কিন্তু কেও যদি ঔটার লম্বা সুতা ‘পৈতা’র মত গায়ে জড়িয়ে রাখে- তাহলে- আসলে যে কি হবে তা আমি নিজেও ঠিক জানি না…

-অবস্যই ঘামে লিক লিক করবে, চিক চিক করবে। থক-থক-থক-থিক-থিক করবে, কারণ নাকের সর্দিতে ওটা ভিজে যাবে, আর নাকের-

সর্দিতে কিন্তু লবণ থাকে; জার্নালে বলেছে; বেশি সর্দি পড়লে স্যালাইন খেতে।

-আমি জানি, আমি জানি, তিনাংগুলের এক চিমটি লবণ আর এক মুঠো চিনি আর থক থকে পানি…

কিন্তু আমি দেখেছি নাকের পানি দিয়ে গোসল করা যায়না; নাকের পানি কেমন যেন গুই-গুই-ইকি-ইকি হয়, কেমন ইকি ইকি হয়…

-‘ইকো’র মিথটা জানো? নিম্ফটার কথা বলার পর্যন্ত ক্ষমতা ছিল না, শুধু বলতে পারত অন্যের বলা শেষ কথাটা।

কিন্তু আমার শেষ কথা ছিল ‘পাঁচ টাকা’…

-হ্যাঁ, তা হতে পারে, কারণ আমিই তার ব্যবস্থা করেছিলাম; ইকো’র কথা আমিই বলেছিলাম, তার কানে আমিই শুঁড়শুঁড়ি দিয়েছিলাম…

আর আমার এক কাজিন কান দিয়ে শুঁড়শুঁড়ি দেয় আর হাঁচে, মানে কান দিয়ে দেখে আর নাক দিয়ে খায়,

-সেটাও হতে পারে, কারণ কানে ফুঁটো আছে, তবে ফুটো নেই; তবে কান কেন চুলকায়? কান তো চুলকানোর কথা না, কারণ, আমি তো কান দিয়ে হাসি না…

কিন্তু আমার একটা যে মেয়ে দরকার, দরকার, মানে একটা গার্লফ্রেন্ড দরকার; কারণ মেয়ে দরকার, কারণ আমার ত গার্লফ্রেন্ডের সাথে হাসাহাসি করতে হবে, তাই না?

-অথচ ব্যয়বহুল বিনোদন প্রথা আরো কত আছে, এই যেমন ধরো গার্লফ্রেন্ড রাখা,অথবা গার্লফ্রেন্ড থাকা, কিংবা গার্লফ্রেন্ড রাখা,

তাইতো বলছি, একটা মোম নিভিয়ে দেওয়া দরকার, কারণ থক-থক-থক-থিক-থিক করছে যে; কারণ থক থকিয়ে থিক থিক থিক করছে, কারণ…

-তাইতো, তাইতো…

অফ্ফুহ–

তারপর সব অন্ধকার।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s