আল্ট্রাবুক নিয়ে হালকা গবেষণা

তো, আল্ট্রাবুক সম্বন্ধে আমি যা যা জানতে পারসি:

আল্ট্রাবুকের ভাবনা প্রথম ইন্টেলের মাথায় আসে, অ্যাপলের সাথে, বিশেষ করে তাদের ম্যাকবুক এয়ারের সাথে টেক্কা দেওয়ার জন্য একটা কিছু বের করতে চাচ্ছিল তারা। যদিও ইন্টেলই আ্যাপলের ডিভাইসগুলোর জন্য হার্ডওয়্যার তৈরী করে, তারা চাচ্ছিল এমন এক কম্পিউরটার দিতে মানুষকে যেগুলো দামে স্বস্তা হবে কিন্তু একই সাথে টেকসই আর শক্তিশালী হবে। সেই ভাবনা অনুযায়ী তারা ২০১১ সালের এক কনভেনশনে “আল্ট্রাবুক” নাম দিয়ে নতুন এক ধরণের বহনযোগ্য কম্পিউটারের স্পেসিফিকেশন ধার্য করে। এই নতুন প্রজাতির কম্পিউটারগুলোর বৈশিষ্ট হবে, তাদের মতে-
– খুবই পাতলা, ০.৮ ইনচ বা ২০ মি.মি. থেকেও কম (বর্তমানের আল্ট্রাবুকগুলো ২১ থেকে ২৩ মি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে, ডিসপ্লের উপর ভিত্তি করে)
– ট্যাবলেট (স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব/ আইপ্যাড)-এর মত স্পর্শপর্দা এবং দীর্ঘজীবি ব্যাটারী (বর্তমানে কমপক্ষে ৫ ঘন্টা, আগামী বছরের মধ্যে স্পেসিফিকেশন ৯ ঘন্টায় উন্নিত করা হবে)
– মাত্র সাত সেকেন্ডে হাইবারনেশন থেকে উঠে আসা
ইত্যাদি। (এগুলো শুধু পূর্বনির্ধারিত বিশেষত্ব, বাজারে এখনই আরো শক্তিশালী আল্ট্রাবুক পাওয়া যাচ্ছে)

এ পর্যন্ত তিনটে পুর্নাঙ্গ বিশেষত্ব বা স্পেসিফিকেশন বেঁধে দিয়ে ছিল ইন্টেল, ২০১১ সালের অক্টোবারে Huron River, এবছরের জুনের দিকে Chief River (released), এবং আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে Chief River (unreleased).

তাহলে আজকে এ পর্যন্তই, কথা হবে আগামী সপ্তাহের একই দিনে একই সময়ে! সেই পর্যন্ত সুস্থ থাকুন, ভাল থাকু, বিদায়!

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s